Tuesday 21st of November, 2017

বিস্তীর্ণ অঞ্চল তলিয়ে যাবার আশঙ্কা (ঢাকার)

বিস্তীর্ণ অঞ্চল তলিয়ে যাবার আশঙ্কা (ঢাকার)

পদ্মায় অব্যাহত পানি বৃদ্ধির চাপে ঢাকা জেলার অন্যতম কাশিয়াখালি বেড়িবাঁধের প্রায় পনেরটি জায়গা ডেবে গেছে। এতে যেকোন সময় বেড়িবাঁধটি ভেঙে মানিকগঞ্জ, নবাবগঞ্জ, দোহার ও কেরানিগঞ্জের পাশাপাশি ঢাকার মূল শহরও তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

তাদের দাবি, প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাঁধের ডেবে যাওয়া অংশগুলো নামমাত্র মেরামত করা হচ্ছে। আর প্রশাসন বলছে, উত্তরাঞ্চলে বন্যার সব পানি পদ্মা থেকে সাগরে নামার কারণে বাঁধটি ঝুঁকিতে পড়েছে।

সমতল ভূমিকে গ্রাস করতে কূল কিনারাহীন রাক্ষুসে পদ্মা যেন প্রতি মুহূর্তেই গর্জন দিচ্ছে। আর তা থেকে বাঁচতে অসহায় মানুষগুলোর শেষ সম্বল এসব বালুর বস্তা।

মানিকগঞ্জ, নবাবগঞ্জ ও দোহারের পাশ দিয়ে বয়ে চলা পদ্মা এখন প্রতি মুহূর্তেই এভাবে হুমকি হয়ে দাড়াচ্ছে এ অঞ্চলের মানুষের জন্য। স্থানীয়দের দাবি, প্রতিদিনই প্রায় এক ফুট করে পানি বাড়ছে পদ্মায়।

যার ফলে ইতোমধ্যেই নদীর পাশের প্রায় ২০ কিলোমিটার এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। হুমকিতে পড়েছে ঢাকা জেলার রক্ষাকবচ কাশিয়াখালি বেড়িবাধটিও। পানির চাপ সইতে না পেরে প্রায় ১৫ কিলোমিটার বাঁধটির অনেক জায়গাই ডেবে গেছে।

বালু ও বাঁশ দিয়ে ডেবে যাওয়া জায়গায় মেরামতের কাজ চললেও তার মান নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে এলাকাবাসির। তাদের দাবি, বেড়িবাঁধের কোন একটি জায়গা ভেঙে গেলেই তলিয়ে যাবে দোহার, নবাবগঞ্জ, কেরানীগঞ্জসহ পুরো ঢাকা জেলা।

প্রকৃতির কাছে অসহায়ত্ব প্রকাশ করলেও প্রশাসন বলছে, এখনো পর্যন্ত বেড়িবাঁধটি ভাঙার মতো অবস্থা সৃষ্টি হয়নি।

পর্যাপ্ত স্লুইচগেট না থাকায় বেড়িবাঁধটি আরো বেশি ঝুকিঁপূর্ণ হয়ে উঠছে বলেও মনে করেন স্থানীয়রা।